কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় মরিচ ক্ষেতের আড়ালে গোপনে গাঁজা চাষের ঘটনা উদঘাটন করেছে পুলিশ। উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ তিলাই বটতলা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নির্দেশনায় এবং এএসআই আবু সাঈদ সুজনের নেতৃত্বে দক্ষিণ তিলাই চরাঞ্চলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে একটি মরিচ ক্ষেতের ভেতরে কৌশলে রোপণ করা বিশাল আকৃতির গাঁজার গাছটি শনাক্ত করে জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ তিলাই গ্রামের কৃষক ইউসুফ মিয়া অধিক লাভের আশায় মরিচ ক্ষেতের মধ্যে গোপনে গাঁজার গাছটি রোপণ করেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার ফলে গাছটি প্রায় ১০ ফুট উচ্চতায় বৃদ্ধি পায়। তবে গাছে ফুল আসার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সেটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম কাজল খান সম্পাদক মোঃ মাসুম রানা
এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন,মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। চরাঞ্চলের কিছু মানুষ অধিক মুনাফার লোভে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় পড়ে গাঁজাসহ বিভিন্ন অবৈধ মাদকদ্রব্যের চাষে জড়িয়ে পড়ছেন। মাদক চাষ, ব্যবসা কিংবা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত কাউকেই আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে না।তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় আরও কোথাও গোপনে গাঁজা চাষ করা হয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করতে অভিযান ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ইউসুফ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।স্থানীয়দের মতে, মরিচ ক্ষেতের মতো সাধারণ কৃষিজমির আড়ালে মাদকদ্রব্যের চাষের ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : গাছ উদ্ধার মরিচ ক্ষেত গাঁজা চাষ,

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় মরিচ ক্ষেতের আড়ালে গোপনে গাঁজা চাষের ঘটনা উদঘাটন করেছে পুলিশ। উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ তিলাই বটতলা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নির্দেশনায় এবং এএসআই আবু সাঈদ সুজনের নেতৃত্বে দক্ষিণ তিলাই চরাঞ্চলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে একটি মরিচ ক্ষেতের ভেতরে কৌশলে রোপণ করা বিশাল আকৃতির গাঁজার গাছটি শনাক্ত করে জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ তিলাই গ্রামের কৃষক ইউসুফ মিয়া অধিক লাভের আশায় মরিচ ক্ষেতের মধ্যে গোপনে গাঁজার গাছটি রোপণ করেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার ফলে গাছটি প্রায় ১০ ফুট উচ্চতায় বৃদ্ধি পায়। তবে গাছে ফুল আসার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সেটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম কাজল খান সম্পাদক মোঃ মাসুম রানা
এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন,মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। চরাঞ্চলের কিছু মানুষ অধিক মুনাফার লোভে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় পড়ে গাঁজাসহ বিভিন্ন অবৈধ মাদকদ্রব্যের চাষে জড়িয়ে পড়ছেন। মাদক চাষ, ব্যবসা কিংবা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত কাউকেই আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে না।তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় আরও কোথাও গোপনে গাঁজা চাষ করা হয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করতে অভিযান ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ইউসুফ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।স্থানীয়দের মতে, মরিচ ক্ষেতের মতো সাধারণ কৃষিজমির আড়ালে মাদকদ্রব্যের চাষের ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন